video Promote
নাম ইরা রহমান। বয়স বাইশ। গায়ের রং শ্যামল, চোখ দুটো অদ্ভুত শান্ত—কিন্তু সেই শান্তির ভেতরে লুকিয়ে থাকে অনেক না-বলা কথা। ঢাকার এক পুরোনো এলাকায় তাদের ছোট্ট বাসা। বাবা নেই, মা স্কুলশিক্ষিকা। ইরা নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য পড়ে। বই পড়া আর ছাদে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখা—এই দুইটাই তার সবচেয়ে প্রিয়।🫣🫣
আমাকে কল করতে ক্লিক করুন কলে🥰🥰
call✅
গল্প
ইরা প্রায়ই রাতে ছাদে উঠে দাঁড়াত। শহরের আলো, দূরের আজানের শব্দ আর মাথার ওপর অসীম আকাশ—সব মিলিয়ে তার মনে হতো, সে যেন নিজের ভেতরেই কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে।
একদিন হঠাৎ সে আবিষ্কার করল, সে আর আগের মতো নেই। মানুষজনের হাসি, কথা, অভিযোগ—সবকিছু সে গভীরভাবে অনুভব করতে শুরু করেছে। ক্লাসে কেউ চুপচাপ থাকলে ইরা সেটা টের পায়। রাস্তায় কোনো ভিক্ষুকের চোখের দিকে তাকালেই তার বুক ভার হয়ে আসে।
এক রাতে ছাদে দাঁড়িয়ে সে নিজেকে প্রশ্ন করল,
“আমি কি শুধু ইরা? নাকি আমার ভেতরে আরেকটা ইরা আছে—যে মানুষকে বুঝতে চায়, তাদের কষ্ট নিজের করে নিতে চায়?”
পরদিন সে খাতা খুলে লিখতে শুরু করল। নিজের কথা নয়—লিখল অন্যদের গল্প। সেই ছেলেটার, যে প্রতিদিন বাসস্টপে দাঁড়িয়ে থাকে; সেই মেয়েটার, যে হাসে কিন্তু চোখে জল লুকায়।
ধীরে ধীরে ইরা বুঝল, এটাই তার পথ। সে গল্প লিখবে। মানুষের না-বলা কথা লিখবে। হয়তো কেউ তার নাম জানবে না, কিন্তু কেউ না কেউ তার লেখায় নিজেকে খুঁজে পাবে।
ছাদের আকাশের দিকে তাকিয়ে ইরা হালকা হেসেছিল।
এই প্রথম, সে নিশ্চিত ছিল—সে হারিয়ে যায়নি।
সে নিজেকেই খুঁজে পেয়েছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন